📚উত্তরসহ সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস সাজেশন(1st Unit Test)📚
👉নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও (প্রশ্নের মান-১):
(1) বাকপতিরাজ কে ছিলেন?
উঃ যশোবর্মনের রাজকবি ছিলেন বাকপতিরাজ।
(2) লক্ষ্মণসেনের রাজধানী কোথায় ছিল?
উঃ লক্ষ্মণাবতী।
(3) কোন্ পাল রাজার আমলে ‘কৈবর্ত বিদ্রোহ’ হয়েছিল?
উঃ পাল রাজা দ্বিতীয় মহীপালের আমলে।
(4) কবে হজরত মহম্মদের মৃত্যু হয়েছিল?
উঃ ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দের ৮ জুন তারিখ মদীনায়।
(5) কবে ইউরোপে সামন্ততন্ত্রের সূচনা হয়েছিল?
উঃ নবম শতকে থেকে।
(6) চোল রাজ্যের কোন হস্তশিল্প বিখ্যাত ছিল?
উঃ চোল রাজ্যে ব্রোঞ্জ ধাতুর হস্তশিল্প বিখ্যাত ছিল।
(7) পাল ও সেন যুগে কড়িই হয়ে উঠেছিল কেনাবেচার প্রধান মাধ্যম – উক্তিটি সত্য অথবা মিথ্যা লেখো।
উঃ সত্য।
(8) ‘বাঙালি অতীশ লঙ্ঘিল গিরি তুষারে ভয়ংকর'— কোন্ কবি, কার সম্পর্কে লেখা?
উঃ কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত অতীশ দীপঙ্কর সম্পর্কে একথা বলেছিলেন।
(9) প্রাচীনকালে হাওড়া জেলা কোন্ অঞ্চলের অন্তর্গত ছিল?
(10) সঠিক উত্তরটি বেছে লেখো : জনগণের দ্বারা নির্বাচিত রাজা ছিলেন – (a) দন্তিদুর্গ, (b) মুট্টাবাইয়া, (c) হর্ষবর্ধন, (d) গোপাল।
(11) শূন্যস্থান পূরণ করো : রাজা লক্ষ্মণসেনের রাজধানী ছিল পূর্ববঙ্গের
(12) বিবৃতির সঙ্গে সঠিক ব্যাখ্যাটি মেলাও : বিবৃতি : মহম্মদ ঘুরি ভারত অভিযান করেছিলেন--
ব্যাখ্যা-১ : তিনি ভারতকে খিলাফতের অংশ করতে চেয়েছিলেন।
ব্যাখ্যা-২ : তিনি ভারতের শাসক হতে চেয়েছিলেন। ব্যাখ্যা-৩ : তিনি ভারতের ধনসম্পদ লুঠ করে নিজের রাজ্যে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন।
(13) বেমানান শব্দটি খুঁজে বের করে লেখো : গোপাল, বীটপাল, দেবপাল, রামপাল।
(14) বোরোবোদুরের বৌদ্ধ মন্দির কোথায় অবস্থিত?
(15) সত্য/মিথ্যা নির্ণয় করো : পাহাড়পুরে সোমপুরী বিহার ছিল সেন আমলের উল্লেখযোগ্য বিহার।
(16) শ্রীনিবাস কে ছিলেন?
👉 নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও (প্রশ্নের মান-২):
(1) ‘সহজিয়া’ বৌদ্ধ ধর্মমত বলতে কী বোঝো?
উঃ পালযুগে মহাযানবাদের সাথে নতুন দার্শনিক তত্ত্বের অনুপ্রবেশের ফলে যে নতুন বৌদ্ধধর্ম সৃষ্টি হয়, তা ‘তান্ত্রিক বৌদ্ধধর্ম’ বা ‘সহজিয়া ধর্ম' বলে অভিহিত হয়।
(2) পাল আমলের ভাস্কর্য সম্পর্কে কয়েকটি বাক্য লেখো।
উঃ ভাস্কর্যের ক্ষেত্রে পাল যুগের দুই শ্রেষ্ঠ ভাস্কর ছিলেন বীতপাল ও ধীমান। ব্রোঞ্জ, পাথর খোদাই ও চিত্র আঁকার কাজে এঁদের খুবই খ্যাতি ছিল। পোড়ামাটি ও কালো পাথরের ওপরেই পাল যুগের ভাস্কর্য বেশী কাজ করত।
প্রধানত মনুষ্য মূর্তি নির্মাণই ছিল পাল ভাস্কর্যের প্রধান বিষয়বস্তু। মূর্তির নির্মাণে নানা “ভঙ্গ” ও “মুদ্রা” ব্যবহার করা হত। মহীপাল -এর রাজত্বকালে তৈরি বাঘাউরার বিষ্ণুমূর্তি, তৃতীয় গোপালের রাজত্বকালে তৈরি সদাশিব মূর্তি পাল ভাস্কর্যের উৎকর্ষের পরিচয় দেয়।
পাহাড়পুর ছিল পাল ভাস্কর্যের প্রধান কেন্দ্র।
(3) ‘গৌড়তন্ত্র’ বলতে কী বোঝো?
উঃ গৌড়রাজ শশাঙ্কের রাজত্বকালে গৌড় তথা বাংলাদেশে যে-শাসনব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল তাকেই বলা হয় ‘গৌড়তন্ত্র।
(4) কোন্ কোন্ অঞ্চল নিয়ে পুণ্ড্রবর্ধন গঠিত হয়েছিল?
(5) ত্রি-শক্তি সংগ্রাম বলতে কী বোঝো?
(6) ‘উর’ ও ‘নাড়ু’ কী?
👉 নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও (প্রশ্নের মান-৪):
(1) সন্ধ্যাকর নন্দীর 'রামচরিত’-এর বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলি কী কী ছিল?
উঃ রামচরিতম্ সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত সংস্কৃত ভাষার একটি কাব্যগ্রন্থ। আনুমানিক ১১৩০ থেকে ১১৫০ সালের মধ্যবর্তী সময়ে রচনা করা হয়। রামচরিতম্ সংস্কৃত ভাষায় রচিত বরেন্দ্র বা উত্তর বাংলার একমাত্র গ্রন্থ যেখানে পাল শাসনামলের ঐতিহাসিক ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে। এই কাব্যে যুগপৎ হিন্দু ধর্মের অবতার রামচন্দ্র এবং গৌড়ের রাজা রামপালের প্রশংসা বর্ণনা করা হয়েছে। যদিও কাব্যে দিব্য ও ভীমের বিরুদ্ধে স্পষ্ট পক্ষপাতিত্ব আছে, তথাপি এই কাব্যকে ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসাবে মনে করা হয়।
(2) ‘চর্যাপদ’ সম্পর্কে একটি টীকা লেখো।
উঃ চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। তাঁরই সম্পাদনায় ৪৭টি পদবিশিষ্ট পুথিখানি হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা (১৯১৬) নামে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ কর্তৃক প্রকাশিত হয়। তিনি পুথির সূচনায় একটি সংস্কৃত শ্লোক থেকে নামের যে ইঙ্গিত পান তাতে এটি চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয় নামেও পরিচিত হয়। তবে সংক্ষেপে এটি ‘বৌদ্ধগান ও দোহা’ বা ‘চর্যাপদ’ নামেই অভিহিত হয়ে থাকে।
(3) টীকা লেখো : কৈবর্ত বিদ্রোহ।
(4) পাল ও সেন যুগের বাংলার অর্থনীতির পরিচয় দাও।

