📚নবম শ্রেণির ভূগোল অধ্যায়ভিত্তিকপ্রশ্নোত্তর:অধ্যায়-৬:দুর্যোগওবিপর্যয়(MCQ+SAQ+DAQ)📚
✍️(১) বিকল্পভিত্তিক প্রশ্নগুলির উত্তর দাওঃ-
(১.১) নিম্নলিখিত ভারতের কোন্ রাজ্যটি সর্বাধিক বন্যাপ্রবণ – (ক) আসাম (খ) মেঘালয় (গ) ঝাড়খন্ড (ঘ) মধ্যপ্রদেশ
উত্তরঃ- (ক) আসাম
(১.২) ভৌমজলের ভাণ্ডার কমে কোন্ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে – (ক) বন্যা (খ) খরা (গ) ঘূর্ণিঝড় (ঘ) দাবানল
উত্তরঃ- (খ) খরা
(১.৩) ভারতে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে – (ক) উপকূলীয় অঞ্চলে (খ) হিমালয় অঞ্চলে (গ) মরুভূমি অঞ্চলে (ঘ) মালভূমি অঞ্চলে
উত্তরঃ- (ক) উপকূলীয় অঞ্চলে
(১.৪) কোন্ দেশটিকে ‘ভূমিকম্পের দেশ’ বলা হয় – (ক) ইংল্যান্ড (খ) চীন (গ) অস্ট্রেলিয়া (ঘ) জাপান
উত্তরঃ- (ঘ) জাপান
(১.৫) চীন সাগরে ঘূর্ণিঝড়টির নাম হল – (ক) টর্নেডো (খ) টাইফুন (গ) উইলি-উইলি (ঘ) হ্যারিকেন
উত্তরঃ- (ক) টাইফুন
(১.৬) পর্বত থেকে বিশালাকার বরফের স্তুপ নেমে আসা হলো – (ক) তুষারঝড় (খ) তুষারপাত (গ) হিমানী সম্প্রপাত (ঘ) বরফপাত
উত্তরঃ- হিমানী সম্প্রপাত
(১.৭) একটি মনুষ্যসৃষ্ট চরম বিপর্যয়ের উদাহরণ হল – (ক) ভূমিকম্প (খ) অগ্নুৎপাত (গ) পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ (ঘ) খরা
উত্তরঃ- (গ) পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ
(১.৮) ভারতে ফোণি ঘূর্ণিঝড়ের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ রাজ্যটি হল – (ক) পশ্চিমবঙ্গ (খ) উড়িষ্যা (গ) রাজস্থান (ঘ) উত্তরপ্রদেশ
উত্তরঃ- (খ) উড়িষ্যা
১.৯) একটি মনুষ্যসৃষ্ট চরম বিপর্যয়ের উদাহরণ – A. ভূমিকম্প B. অগ্ন্যুৎপাত C. পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ D. খরা
Ans. C
১.১০) বিপর্যয় লঘুকরণ দিবস হিসেবে পালন করা হয়— A. 10 অক্টোবর B. 10 নভেম্বর C. 5 সেপ্টেম্বর D. 5 জানুয়ারি
Ans. A
১.১১) ভূমিকম্পের দেশ বলা হয়— A. জাপানকে B. ইরাককে C. মায়ানমারকে D. ভারতকে
Ans. A
১.১২) সমুদ্র উপকূলে যে বিপর্যয় দেখা যায় তা হল— A. খরা B. দাবানল C. ধস D. সুনামি
Ans. D
(১.১৩) ধস কোথায় বেশি লক্ষণীয়— A. পার্বত্য অঞ্চলে B. মরুভূমি অঞ্চলে C. অরণ্য অঞ্চলে D. সমভূমি অঞ্চলে
Ans. A
(১.১৪) ভূমিধসের জন্য দায়ী নয় – A. বৃক্ষচ্ছেদন B. বহুমুখী নদী পরিকল্পনা C. নগরায়ণ D. সুনামি
Ans. D
(১.১৫) একটি জলবায়ুগত দুর্যোগের উদাহরণ হল— A. অগ্ন্যুৎপাত B. বন্যা C. দাবানল D. সুনামি
Ans. B
১.১৬) একটি আধাপ্রাকৃতিক দুর্যোগ হল— A. অগ্ন্যুৎপাত B. সুনামি C. তুষারঝড় D. ধস
Ans. D
(১.১৭) একটি আধাপ্রাকৃতিক দুর্যোগ হল— A. অগ্ন্যুৎপাত B. সুনামি C. তুষারঝড় D. ধস
Ans. D
(১.১৮) তুষারঝড় বেশি দেখা যায়— A. নিরক্ষীয় অঞ্চলে B. মরু অঞ্চলে C. মধ্যঅক্ষাংশীয় অঞ্চলে D. মেরু অঞ্চলে
Ans. D
(১.১৯) ধস কোথায় বেশি লক্ষণীয়— A. পার্বত্য অঞ্চলে B. মরুভূমি অঞ্চলে C. অরণ্য অঞ্চলে D. সমভূমি অঞ্চলে
Ans. A
(১.২০) চিন, জাপান প্রভৃতি দেশে ঘূর্ণিঝড় যে নামে পরিচিত A. তাইফু B. টাইফুন C. হ্যারিকেন D. উহলি-উইলি
Ans. B
১.২১) ভূমিকম্পের দেশ বলা হয়— A. জাপানকে B. ইরাককে C. মায়ানমারকে D. ভারতকে
Ans. A
(১.২২) ভূমিধসের জন্য দায়ী নয় – A. বৃক্ষচ্ছেদন B. বহুমুখী নদী পরিকল্পনা C. নগরায়ণ D. সুনামি
Ans. D
(১.২৩) অগ্ন্যুৎপাতের সৃষ্টি হয়— A. বনভূমি হ্রাসের ফলে B. অনিয়ন্ত্রিত বসতি নির্মাণের ফলে C. ভূগর্ভে চাপ ও তাপের পরিবর্তনের ফলে D. রাস্তাঘাট নির্মাণের ফলে
Ans. C
(১.২৪) একটি মনুষ্যসৃষ্ট দুযোর্গ হল— A. খরা B. ভূমিকম্প C. অগ্ন্যুৎপাত D. দাঙ্গা
Ans. D
(১.২৫) ভারতে ‘কেন্দ্রীয় বন্যা নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ’ গঠন করা হয়েছে— A. 1953 সালে B. 1954 সালে C. 1955 সালে D. 1960 সালে
Ans. B
(১.২৬) বন্যা নিয়ন্ত্রণের উপায়গুলির মধ্যে অন্যতম হল— A. শুষ্ক কৃষির প্রবর্তন করা B. গভীর কূপ খনন করা C. জলসংরক্ষণ প্রকল্প চালু করা D. পশুচারণ নিয়ন্ত্রণ করা
Ans. C
(১.২৭) একটি আধাপ্রাকৃতিক দুর্যোগ হল— A. অগ্ন্যুৎপাত B. সুনামি C. তুষারঝড় D. ধস
Ans. D
(১.২৮) হিমানী সম্প্রপাত ঘটে – A. পার্বত্য অঞ্চলে B. মরুভূমি অঞ্চলে C. মালভূমি অঞ্চলে D. সমুদ্র উপকূলে
Ans. A
(১.২৯) ভূমিকম্পের দেশ বলা হয়— A. জাপানকে B. ইরাককে C. মায়ানমারকে D. ভারতকে
Ans. A
(১.৩০) একটি মনুষ্যসৃষ্ট দুযোর্গ হল— A. খরা B. ভূমিকম্প C. অগ্ন্যুৎপাত D. দাঙ্গা
Ans. D
(১.৩১) একটি মনুষ্যসৃষ্ট চরম বিপর্যয়ের উদাহরণ – A. ভূমিকম্প B. অগ্ন্যুৎপাত C. পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ D. খরা
Ans. C
(১.৩২) মেগাসুনামিতে সমুদ্রের ঢেউ-এর উচ্চতা হয়— A. 30 মিটার B. 80 মিটার C. 50 মিটার D. 50 মিটারের বেশি
Ans. D
(১.৩৩) ভারতের মোট জমির মধ্যে বন্যাপ্রবণ জমির পরিমাণ – A. 10% B. 11% C. 12% D. 13%
Ans. B
(১.৩৪) আমেরিকা ও কানাডার পূর্বাংশে ব্লিজার্ড ঘটেছিল— A. 1777 সালে B. 1888 সালে C. 1920 সালে D. 1992 সালে
Ans. B
(১.৩৫) ভূমিধসের জন্য দায়ী নয় – A. বৃক্ষচ্ছেদন B. বহুমুখী নদী পরিকল্পনা C. নগরায়ণ D. সুনামি
Ans. D
(১.৩৬) ভারতে ‘কেন্দ্রীয় বন্যা নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ’ গঠন করা হয়েছে— A. 1953 সালে B. 1954 সালে C. 1955 সালে D. 1960 সালে
Ans. B
(১.৩৭) বিপর্যয় লঘুকরণ দিবস হিসেবে পালন করা হয়— A. 10 অক্টোবর;B. 10 নভেম্বর;C. 5 সেপ্টেম্বর D. 5 জানুয়ারি
Ans. A
১.৩৮) ‘Tsunami’ একটি – A. আরবি শব্দ B. জাপানি শব্দ C. ফরাসি শব্দ D. রাশিয়ান শব্দ
Ans. B
(১.৩৯) একটি মনুষ্যসৃষ্ট দুযোর্গ হল— A. খরা B. ভূমিকম্প C. অগ্ন্যুৎপাত;D. দাঙ্গা
Ans. D
(১.৪০) একটি বায়ুমণ্ডলীয় বিপর্যয়ের উদাহরণ— A. খরা B. সুনামি C. ভূমিক্ষয় D. মরুকরণ
Ans. A
(১.৪১) একটি মনুষ্যসৃষ্ট চরম বিপর্যয়ের উদাহরণ – A. ভূমিকম্প B. অগ্ন্যুৎপাত C. পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ D. খরা
Ans. C
(১.৪২) আমেরিকা ও কানাডার পূর্বাংশে ব্লিজার্ড ঘটেছিল— A. 1777 সালে;B. 1888 সালে/C. 1920 সালে D. 1992 সালে
Ans. B
(১.৪৩) একটি বায়ুমণ্ডলীয় বিপর্যয়ের উদাহরণ— A. খরা B. সুনামি C. ভূমিক্ষয় D. মরুকরণ
Ans. A
(১.৪৪) বন্যা নিয়ন্ত্রণের উপায়গুলির মধ্যে অন্যতম হল— A. শুষ্ক কৃষির প্রবর্তন করা B. গভীর কূপ খনন করা C. জলসংরক্ষণ প্রকল্প চালু করা D. পশুচারণ নিয়ন্ত্রণ করা
Ans. C
(১.৪৫) ‘Tsunami’ একটি – A. আরবি শব্দ B. জাপানি শব্দ C. ফরাসি শব্দ D. রাশিয়ান শব্দ
Ans. B
(১.৪৬) মেগাসুনামিতে সমুদ্রের ঢেউ-এর উচ্চতা হয়— A. 30 মিটার B. 80 মিটার C. 50 মিটার D. 50 মিটারের বেশি
Ans. D
(১.৪৭) ভূমিধসের জন্য দায়ী নয় A. বৃক্ষচ্ছেদন B. বহুমুখী নদী পরিকল্পনা C. নগরায়ণ D. সুনামি
Ans. D
(১.৪৮) অগ্ন্যুৎপাতের সৃষ্টি হয়—A. বনভূমি হ্রাসের ফলে B. অনিয়ন্ত্রিত বসতি নির্মাণের ফলে C. ভূগর্ভে চাপ ও তাপের পরিবর্তনের ফলে D. রাস্তাঘাট নির্মাণের ফলে
Ans. C
✍️(২) অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলির উত্তর দাওঃ-
(২.১) বনভূমি ছাড়া যে দুর্যোগ ঘটে না তার নাম কি?
উত্তরঃ- দাবানল
(২.২) দার্জিলিং জেলার প্রধান দুর্যোগ কি?
উত্তরঃ- ধস
(২.৩) পশ্চিমবঙ্গের পার্বত্য এলাকায় প্রধান ভূতাত্ত্বিক দুর্যোগ কি?
উত্তরঃ- ভূমিকম্প
(২.৪) গাঙ্গেয় সমভূমির প্রধান দুর্যোগ কি?
উত্তরঃ- বন্যা
(২.৫) ক্যারিবিয়ান সাগরে ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়কে কি বলে?
উত্তরঃ- হ্যারিকেন
(২.৬) বঙ্গোপসাগরে ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়কে কি বলে?
উত্তরঃ- সাইক্লোন
(২.৭) সুনামি কথাটির অর্থ কি?
উত্তরঃ- বন্দরের শক্তিশালী ঢেউ
(২.৮) পর্বতারোহীরা ধস ছাড়াও যে ভূমিধসজনিত দুর্যোগের সম্মুখীন হয় তার নাম কি?
উত্তরঃ- হিমানী সম্প্রপাত
(২.৯) পার্বত্য অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের প্রকোপ বেশি। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Ans. মিথ্যা
(২.১০) অবিবেচনাপ্রসূত বৃক্ষচ্ছেদনের ফলে পাহাড়ি অঞ্চলে ধস সৃষ্টি হয়ে থাকে। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Ans. সত্য
(২.১১) অধিক গভীরতায় সংঘটিত ভূমিকম্পকে ‘পাতালিক ভূমিকম্প’ বলে। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Ans. সত্য
(২.১২) কীরকম জলবায়ুতে তুষারঝড় হয়? (এক কথায় উত্তর দাও)
Ans. অতিশীতল জলবায়ুতে।
(২.১৩) সিসমোগ্রাফ যন্ত্রের সাহায্যে সুনামির তীব্রতা মাপা হয়। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Ans. মিথ্যা
(২.১৪) পিলিন কোন ধরনের বিপর্যয়? (এক কথায় উত্তর দাও)
Ans. ঘূর্ণিঝড়।
২.১৫) পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলায় কোন ধরনের বিপর্যয় অধিক লক্ষ করা যায়? (এক কথায় উত্তর দাও)
Ans. খরা।
২.১৬) ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে ______ চাপ থাকে। (শূন্যস্থান পূরন করো)
Ans. নিম্ন
(২.১৭) ম্যাগমার নিম্নমুখী প্রবাহকে ‘প্লিউম’ বলে। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Ans. মিথ্যা
(২.১৮) অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে তুষারঝড় অধিক দেখা যায়। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Ans. সত্য
(২.১৯) দক্ষিণবঙ্গের ______ অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব বেশি লক্ষ করা যায়। (শূন্যস্থান পূরন করো)
Ans. উপকূলবর্তী অঞ্চলে
(২.২০) অধিক গভীরতায় সংঘটিত ভূমিকম্পকে কী বলে? (এক কথায় উত্তর দাও)
Ans. পাতালিক ভূমিকম্প।
২.২১) পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলায় কোন ধরনের বিপর্যয় অধিক লক্ষ করা যায়? (এক কথায় উত্তর দাও)
Ans. খরা।
(২.২২) ভারতে খরা নিয়ন্ত্রণে প্রধানত কোন্ মন্ত্রক কার্যকরী ভূমিকা নেয়? (এক কথায় উত্তর দাও)
Ans. কৃষি মন্ত্রক।
(২.২৩) বিপর্যয়ের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমানোর ব্যবস্থাপনা বলা হয়? (এক কথায় উত্তর দাও)
Ans. বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা।
(২.২৪) জাতীয় জলসম্পদ মন্ত্রক প্রধানত কোন ধরনের বিপর্যয় নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী ভূমিকা নেয়? (এক কথায় উত্তর দাও)
Ans. বন্যা।
(২.২৫) টর্নেডো কী জাতীয় দুর্যোগ? (এক কথায় উত্তর দাও)
Ans. প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
(২.২৬) ব্লিজার্ড হল একধরনের ______। (শূন্যস্থান পূরন করো)
Ans. তুষারঝড়
(২.২৭) দুর্যোগের তুলনায় বিপর্যয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Ans. সত্য
(২.২৮) দক্ষিণবঙ্গের ______ অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব বেশি লক্ষ করা যায়। (শূন্যস্থান পূরন করো)
Ans. উপকূলবর্তী অঞ্চলে
(২.২৯) ভারতের মোট ভূমিভাগের প্রায় ______ শতাংশ অঞ্চল বন্যাপ্রবণ। (শূন্যস্থান পূরন করো)
Ans. 12
(২.৩০) অগ্ন্যুৎপাত কোন্ ধরনের দুর্যোগের উদাহরণ? (এক কথায় উত্তর দাও)
Ans. প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
(২.৩১) ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য সমুদ্রপৃষ্ঠের জলের উষ্ণতা ______ হওয়া প্রয়োজন। (শূন্যস্থান পূরন করো)
Ans. 26° C
২.৩২) 2013 সালে কেদারনাথ মন্দির ______-এর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। (শূন্যস্থান পূরন করো)
Ans. হড়পা বন্যা
২.৩৩) দুর্যোগের তুলনায় বিপর্যয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Ans. সত্য
২.৩৪) পশ্চিমবঙ্গের একটি বন্যাপ্রবণ অঞ্চলের নাম লেখো। (এক কথায় উত্তর দাও)
Ans. কোচবিহার।
২.৩৫) কোন্ যন্ত্রের সাহায্যে ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপা হয়? (এক কথায় উত্তর দাও)
Ans. সিসমোগ্রাফ।
(২.৩৬) ______ ঢালে হিমানী সম্প্রপাত বেশি ঘটে। (শূন্যস্থান পূরন করো)
Ans. উত্তল
(২.৩৭) বন্যার ফলে প্লাবিত ভূমিতে প্রাচীন পলিমাটির সঞ্চয় ঘটে। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Ans. মিথ্যা
২.৩৮) অ্যাসিড বৃষ্টির ফলে জলজ বাস্তুতন্ত্রের কোনো ক্ষতি হয় না। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Ans. মিথ্যা
✍️(৩) নীচের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলির উত্তর দাওঃ-
(৩.১) ঘূর্ণিঝড় বলতে কী বোঝো?
উত্তরঃ- ঘূর্ণিঝড় হলো গ্রীষ্মমন্ডলী ঝড় বা বায়ুমন্ডলীয় একটি উত্তাল অবস্থা যা বাতাসের প্রচন্ড ঘূর্ণায়মান গতির ফলে সংঘটিত হয়। এটি সাধারণ প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহের একটি।
(৩.২) ভূমিকম্প কাকে বলে?
উত্তরঃ- ভূ-অভ্যন্তরে শিলায় পীড়নের জন্য যে শক্তির সঞ্চয় ঘটে, সেই শক্তির হঠাৎ মুক্তি ঘটলে ভূ-পৃষ্ঠ ক্ষণিকের জন্য কেঁপে ওঠে এবং ভূ-ত্বকের কিছু অংশ আন্দোলিত হয়। এই রূপ আকস্মিক ও ক্ষণস্থায়ী কম্পনকে ভূমিকম্প বলে।
(৩.৩) সুনামি কি?
উত্তরঃ- জাপানি শব্দ সু কথার অর্থ পোতাশ্রয় বা বন্দর এবং নামি শব্দের অর্থ তরঙ্গ বা ঢেউ। অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের তরঙ্গ। সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট বিশালাকৃতি সামুদ্রিক ঢেউ অথবা জলোচ্ছ্বাসকে সুনামি বলে।
(৩.৪) অগ্নুৎপাত বলতে কী বোঝো?
উত্তরঃ- ভূ-অভ্যন্তরের গলিত পদার্থ অর্থাৎ ম্যাগমা এবং এর সাথে ভূগর্ভের গ্যাস, বাষ্প, ছাই যখন ভূপৃষ্ঠের কোন দুর্বল স্থান দিয়ে বা ফাটল পথে বাইরে বেরিয়ে আসে তখন তাকে অগ্নুৎপাত বলে।
(৩.৫) হিমানী সম্প্রপাত কি?
উত্তরঃ- পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পার্বত্য অঞ্চলে হিমরেখার উপরে অর্থাৎ তুষারক্ষেত্রের জমাট বাঁধা বরফ অত্যন্ত ধীরগতিতে পর্বতের ঢাল বেয়ে নীচের দিকে নেমে আসতে থাকে । কখনো কখনো পাহাড়ের ঢালে চলমান এইরকম হিমবাহ থেকে বিশাল বরফের স্তূপ ভেঙে প্রচন্ড বেগে নীচের দিকে পড়তে দেখা যায় । একে হিমানী সম্প্রপাত বলে ।
(৩.৬) ভূমিধস কী?
Ans. ভূমিধস (ইংরেজি Landslide) বলতে পাহাড়-পর্বতের গা থেকে মাটির চাকা বা পাথরের খণ্ড বিরাট মাধ্যাকর্ষণ এর টানে নীচে পড়লে তাকে ভূমিধস বলে। অনেক সময় পাহাড়ের ওপর থেকে জল ও মাটি মিশে কাদা আকারে বিপুল পরিমাণে নিচে নেমে আসলে তাকেও এক ধরনের ভূমিধ্বস আখ্যা দেয়া হয়।
(২.৭) তুষারঝড় বা ব্লিজার্ড কী?
Ans. শীতপ্রধান অঞ্চলে অনেকসময় খুব জোরে (১২০ কিমি – ১৬০ কিমি প্রতি ঘন্টায়) তুষার সহ ঝড় বয়ে যায়। এর ফলে মাটি তুষারে আবৃত হয় এবং সমগ্র এলাকা বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে। একেই তুষার ঝড় (Blizzard) বলে।
(২.৯) বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা বলতে কী বােঝো?
উত্তর বিপয়ি ব্যবস্থাপনা ; বিপর্যয়ের সকল স্তরে গৃহীত নীতিসমূহ, প্রশাসনিক সিদ্ধান্তসমূহ এবং সংশ্লিষ্ট কার্যকলাপের সমষ্টিগত রূপকে বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা বলে।
(২.১০) পশ্চিমবঙ্গের বন্যাপ্রবণ অঞ্চলগুলির কয়েকটি উল্লেখ করাে।
উত্তর কোচবিহারে। দিনহাটা, তুফানগঞ্জ, মাথাভাঙা; সালদার,ইংলিশবাজার, কালিয়াচক; ® নদিয়ার
করিমপুর, নাকাশিপাড়া, কালিগঞ্জ; ও পশ্চিম মেদিনীপুর,ঘাটাল, চন্দ্রকোনা, কেশপুর; উত্তর চব্বিশ পরগনার হাবরা, বাদুড়িয়া, বনগাঁ প্রভৃতি।
(২.১১) মেঘ ভাঙা বৃষ্টি (Cloud burst) বলতে কী বােঝাে?
উত্তর সংজ্ঞা ; দ্রুত ঘনীভবনের কারণে হঠাৎ ভারী বর্ষণ হলে, তাকে মেঘ ভাঙা বৃষ্টি (Cloud burst) বলে।
এর ফলে পার্বত্য অঞ্চলে যে বিশাল মাত্রায়। দ্রুতগতি সম্পন্ন জলপ্রবাহ ঘটে, তাকে হড়পা বান (Flash Flood)। বলে, এর ফলে ধস নামে এবং ব্যাপক হারে জীবন ও সম্পত্তিহানি হয়।
উদাহরণ : 2013 সালের জুন মাসে মেঘ ভাঙা বৃষ্টি ও হড়পা বানে উত্তরাখণ্ডের অলকানন্দা অববাহিকা ও হরিদ্বারে ভয়াবহ ধসসহ বন্যা বিকট মাত্রায় বিপর্যয় ডেকে এনেছিল।
(২.১২) .NIDM কী ?
উত্তর NIDM-এর পুরাে কথা National Institute of Disaster Management। এই জাতীয় বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানটি 1995 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা শিক্ষার প্রসার ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানটি ভারতকে বিপর্যমুক্ত দেশে পরিণত করতে সদা সচেষ্ট।
(২.১৩) QRT কী?
উত্তর QRT-এর পুরাে কথা হল Quick Response Teamপশ্চিমবঙ্গ সরকার বিপর্যয় মােকাবিলার জন্য প্রতিটি জেলার QRT নামে বিশেষ দল তৈরি করেছে। এই দলে রয়েছে রাজ্যস্তরের 4 পলটন ব্যাটেলিয়ান, ও কোম্পানি এবং 25 জন প্রশিক্ষিত কর্মী।
(২.১৪) হড়পা বান (Flash Flood) কী? ***
উত্তর: হঠাৎ ভারী বর্ষণের ফলে পার্বত্য অণ্ডলে যে বিশাল মাত্রার দ্রুতগতি সম্পন্ন জলপ্রবাহ ঘটে, তাকে হড়পা বান বলে। এর কল পার্বত্য ঢালে জলপ্রবাহের সঙ্গে সব কিছু ধসে নীচের দিকে নামতে থাকে এবং ব্যাপক হারে জীবন ও সম্পত্তিহানি হয়। 2010 সালে জম্মু-কাশ্মীরের লে উপত্যকায় হড়পা বানে 250 জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।
(২.১৫) বিপর্যয় ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ধাপ বা স্তরগুলি কি কি ?
বিপর্যয় ব্যবস্থাপনার স্তর : মূলত তিনটি স্তরে বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কাজকর্মকে ভাগ করা হয়। যথা বিপর্যয়ের পূর্ববর্তী কার্যকলাপ এর মধ্যে বিপর্যয়ের ঝুকি মূল্যায়ন, বিপর্যয় সংক্রান্ত গবেষণা, শিক্ষা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি, বিপর্যয় মােকাবিলার সঠিক প্রশিক্ষণ প্রভৃতি অন্তর্ভুক্ত।
বিপর্যয় চলাকালীন কার্যকলাপ ত্রাণ, উদ্ধারকার্য, আশ্রয়দান প্রভৃতি এই স্তরের কার্যকলাপ। ® বিপর্যয় পরবর্তী কার্যকলাপ -এই পর্যায়ের মূল কাজ হল পুনর্বাসন।এই তিন পর্যায়কে একত্রে PMR পর্যায় বলে। অর্থাৎ,(i) Preparedness বা P (প্রস্তুতিকরণ), (ii) Mitigation বাM (প্রশমন) এবং (ii) Recovery বা R (পুনরুদ্ধার)। প্রতি বছর 13 অক্টোবর দিনটিকে বিপর্যয় লঘুকরণ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
(২.১৬) ধসের একটি প্রাকৃতিক ও একটি মানুষ্য সৃষ্টি কারণ লেখ।
উত্তরঃ-
প্রাকৃতিক কারণটি হলোঃ-
অধিক ঢাল যুক্ত ভূমি ভাগ প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটলে শীলা স্তরে জল প্রবেশ করে তা ভূমিভাগকে আলগা বা শিথিল করে দেয় ফলে ধ্বসে সম্ভাবনা তৈরি হয়।
মনুষ্য সৃষ্টি করণ হলোঃ-
গাছের শিকড় মাটিকে শক্ত করে আঁকড়ে রাখে ফলে মাটির গঠন দৃঢ় হয়। তবে মানুষের নির্বিচারে বৃক্ষ ছেদন এর ফলে মাটি আলগা হয়ে পড়লে ধসের মাত্রা বৃদ্ধি পায়।
✍️(৪) নীচের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাভিত্তিক প্রশ্নগুলির উত্তর দাওঃ-
(৪.১) দুর্যোগ ও বিপর্যয়ের তিনটি পার্থক্য লিখো।
উত্তরঃ- দুর্যোগ ও বিপর্যয়ের প্রধান তিনটি পার্থক্য হলো -
প্রথমত, দুর্যোগ হলো বিপর্যয়ের পূর্ববর্তী রূপ আর বিপর্যয় হলো দুর্যোগের পরবর্তী রূপ।
দ্বিতীয়ত, দুর্যোগ প্রবাহিত এলাকার আয়তন কম এবং এটি ছোট মাপের বিপদজনক ঘটনা কিন্তু বিপর্যয়গ্রস্থ এলাকার আয়তন বেশি এবং এটি বড় মাপের চরম ক্ষতিকারক অবস্থা।
তৃতীয়ত, দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য প্রভাবিত এলাকার বাইরের মানুষের সাহায্যের প্রয়োজন হয় না কিন্তু বিপর্যয় সামাল দেবার বা পুনর্নির্মাণের কাজের জন্য বাইরের মানুষের প্রয়োজন হয়।
(৪.২) বন্যা কাকে বলে? বন্যার দুটি কারণ লেখ।
উত্তরঃ- একটানা কয়েকদিন ধরে চলা অতিরিক্ত বৃষ্টি কিংবা অন্য কোনো কারণে নদীর জসটর বিপদ সীমা ছাড়িয়ে প্রভাবিত হলে এবং তারা বিস্তৃর্ণ অববাহিকা কে জলমগ্ন করলে, সেই পরিস্থিতিকে বন্যা বলে।
বন্যার কারণঃ-
বন্যার বিভিন্ন কারণের মধ্যে প্রধান দুটি কারণ হলো-
দীর্ঘস্থায়ী অধিক বৃষ্টিঃ-
কোন অঞ্চলে দীর্ঘ সময় ধরে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নদীর জলাধারণ ক্ষমতা অতিক্রান্ত হলে বন্যার সৃষ্টি হয়। অতীতে বর্ষাকালে দামোদর নদীতে এই কারণে প্রায় প্রতি বছরই বন্যা হত।
বৃক্ষচ্ছেদনঃ-
গাছ যেমন মাটি ক্ষয় প্রতিরোধ করে, তেমনি বৃষ্টির পরিমাণ কেও নিয়ন্ত্রণ করে। মানুষের অবিবেচনাপ্রসূত গাছ কাটার ফলে মৃত্তিকা ক্ষয় বৃদ্ধি পায় এবং ক্ষয়প্রাপ্ত মৃত্তিকা নদীগর্ভে সঞ্চিত হয়ে নদীর জল ধারণ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় ফলে বন্যার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
(৪.৩) খরা কাকে বলে? খরা সৃষ্টির একটি প্রাকৃতিক ও একটি মনুষ্য সৃষ্টি কারণ লেখ।
উত্তরঃ- কোন অঞ্চলে দীর্ঘকাল বৃষ্টির অভাবে অথবা পর্যাপ্ত পরিমাণে বৃষ্টির অভাবে যে শুষ্ক অবস্থার সৃষ্টি হয় তাকে খরা বলে।
খরার কারণঃ-
খরার বিভিন্ন কারণের মধ্যে প্রধান দুটি কারণ হলো -
মৌসুমী বায়ুর প্রভাবঃ-
দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু ভারতে স্বাভাবিক সময়ের থেকে দেরিতে প্রবেশ করলে অথবা বর্ষাকাল চলাকালীন অনেক দিন বৃষ্টি না হলে অথবা সময়ের আগে মৌসুমী বায়ু প্রত্যাবর্তন করলে খরার সৃষ্টি হয়।
বৃক্ষচ্ছেদনঃ-
অতিরিক্ত মাত্রায় গাছ কাটার ফলে বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কমে যায় যার ফলস্বরূপ খরার সৃষ্টি হয়।
(৪.৪) দুর্যোগ (Hazard) কাকে বলে? এর বৈশিষ্ট্যগুলিলেখাে। * *
উত্তর: দুর্যোগ (Hazard) :অর্থ ; প্রাচীন ফরাসি শব্দ ‘Hasard’ থেকে ‘Hazard শব্দটি এসেছে, যার অর্থ দুর্যোগ। আবার, অনেকে মনে করেন আরবি শব্দ ‘az-zahr’ থেকে ‘Hazard’ শব্দের উৎপত্তি, যার অর্থ
‘Chance' (অপ্রত্যাশিত বা দৈব ঘটনা) বা Luck’ (অদৃষ্ট) অর্থাৎ, দুর্যোগ হল অদৃষ্ট বা কোনাে দৈব ঘটনা।
সংজ্ঞা : প্রাকৃতিক ও মানবিক কারণে সংঘটিত যে-সকল ঘটনা দ্বারা মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়, জীবন, স্বাস্থ্য ও সম্পত্তিহানি হয় এবং পরিবেশের গুণগত মানের অবনমন ঘটে, তাকে দুর্যোগ বলে।
উদাহরণ : ভূমিকম্প, বন্যা, ভূমিধস প্রভৃতি।
দুর্যোগের বৈশিষ্ট্য :
উপাদান : দুর্যোগ প্রাকৃতিক ও মানবিক উপাদানের সংযুক্ত ক্রিয়া।
ব্যাপ্তি : দুর্যোগ সাধারণত ক্ষুদ্র স্কেলে সংঘটিত হয়। অর্থাৎ, এর ব্যাপকতা কম।
প্রভাব : মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে একেবারে রুদ্ধ না করলেও সাময়িকভাবে ব্যাহত করে।
ক্ষয়ক্ষতি এবং পরিবেশের গুণগত মান হ্রাস : ক্ষয়ক্ষতির প্রভাব ব্যাপক মাত্রায় না হলেও সম্পদের অল্পবিস্তর ক্ষতি হয় এবং পরবেশে গুণগত মানের অবনমন ঘটে।
বিপর্যয়ের কারণ :দুর্যোগের পথ ধরেই বিপর্যয় আসে, তাই দুর্যোগ হল বিপর্যয়ের কারণ দুর্যোগ বিপর্যয়ে পরিণত হতে পারে তবু নও হত
(৪.৫). বিপর্যয় (Disaster) কাকে বলে? বৈশিষ্ট্য লেখো। * *
উত্তর: বিপর্যয় (Disaster) : অর্থ ; Disaster শব্দটির উৎপত্তি ফরাসি শব্দ Desasire থেকে বোনে, Des' কথার অর্থ Bad’ বা ‘Evil (খারাপ বা মন্দ) এবং asierথার অর্থ Star (তারা)। সুতরাং, Desasire'-এর অর্থ অশুভ তারা (Evil Star)। প্রাচীনকালে মানুষ বিশ্বাস ত যে, অশুভ তারার প্রকোপেই প্রকৃতিতে বিপর্যয
সংজ্ঞা : প্রাকৃতিক বা মনুষ্যসৃষ্ট তাৎক্ষণিক বা দীর্ঘমেয়াদি এমন কোনাে বিপজ্জনক ঘটনা যা মানুষের দুর্গতির কারণ হয় এবং বইরের সাহায্য ছাড়া যার মােকাবিলা করা সম্ভব হয় না, তাকেই বিপর্যয় বলা হয়।
Webster অভিধান অনুসারে বিপর্যয় হল – “A grave occurrence having ruinous result"
উদাহরণ : দুর্যোগের চরম পরিণতি হল বিপর্যয়। ভূমিকম্প,বন্যা প্রভৃতি দুর্যোগের কারণে যখন ব্যাপক হারে ক্ষয়ক্ষতি ও জীবনহানি ঘটে তখন তা বিপর্যয়ের রূপ নেয়। যেমন – 2004
সালে ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট সুনামি দ্বারা ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া প্রভৃতি দেশের বিপর্যয়।
বিপর্যয়ের বৈশিষ্ট্য :
উপাদান : বিপর্যয় প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট কারণের ফল।
ব্যাপ্তি ; বিপর্যয় হতে পারে হঠাৎ, অপ্রত্যাশিত ও ব্যাপকতর।
বিপর্যয় বৃহৎ স্কেলে, অর্থাৎ, ব্যাপক হারে সংঘটিত হয়।
প্রভাব : মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে স্তব্ধ করে দেয়।
ক্ষয়ক্ষতি : প্রাকৃতিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটে।
বিপন্নতা : বিপর্যয় অধ্যুষিত এলাকায় মানুষ নিজেকে বিপন্ন বােধ করে।
জীবনযাত্রার অবনতি : এই অবস্থায় সমাজের প্রয়ােজনে লাগে আশ্রয়, স্যানিটেশন, খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা ও সামাজিক পরিচর্যা। ফলে বাইরের সাহায্যের প্রয়ােজন হয়।
পরিকাঠামাের অবনতি : বিপর্যয়ের ফলে অত্যাবশ্যক পরিকাঠামাে, যেমন স্বাস্থ্য, পরিবহণ, যােগাযােগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
note : রাষ্ট্রসংঘ (United Nation)-এর মতে, যদি কোনাে কারণে 1 মিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতি হয় এবং 100 জনের আধিক মানুষের জীবনহানি হয় ও 100 জনের অধিক মানুষ আহত হয়, তখনই তাকে বিপর্যয় বলা যাবে।

