📚নবম শ্রেণির জীবনবিজ্ঞান:অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর:অধ্যায়-চতুর্থ:জীববিদ্যা ও মানবকল্যাণ(MCQ+SAQ+DAQ)📚
✍️সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো: মান – 1
1.মানবশিশুকে জন্মের কিছুদিন পরেই যে টিকাটি দেওয়া হয়, তা হল – A. DPT ভ্যাকসিন B. BCG ভ্যাকসিন C. MMR ভ্যাকসিন D. OPV ভ্যাকসিন।
Answer : B
2.BCG ভ্যাকসিন যে রোগ প্রতিরোধের জন্য দেওয়া হয়, সেটি হল – A. যক্ষ্মা B. টাইফয়েড C. কলেরা D. বসন্ত উডব
Answer : A
3.অ্যান্টিবডির অণুতে পলিপেপটাইড শৃঙ্খলের সংখ্যা হল— A. দুটি B. তিনটি C. চারটি D. পাঁচটি
Answer : C
4.ইমিউনোগ্লোবিউলিন অণুগুলি হল একপ্রকার— A. শর্করা B. প্রোটিন C. ফ্যাট D. সবকটিই
Answer : C
5.রাসায়নিক প্রকৃতিতে অ্যান্টিবডি অণুগুলি হল— A. প্রোটিন B. গ্লাইকোপ্রোটিন C. কার্বোহাইড্রেট D. লিপিড
Answer : A
6.VAM হল একপ্রকার – A. এন্ডোমাইকোরাইজা B. এক্টোমাইকোরাইজা C. পরজীবী D. কোনোটিই নয়
Answer : A
7.জৈবিক নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত Tetrahymena প্রজাতি হল একপ্রকার পতঙ্গনাশকারী – A. ভাইরাস B. ব্যাকটেরিয়া C. আদ্যপ্রাণী D. ছত্রাক
Answer : C
8.অ্যানাবিনা নামের নীলাভ সবুজ শৈবাল এবং অ্যাজোল্লা নামের ফার্ন-এর পুষ্টিগত সম্পর্কটি হল— A. মৃতজীবী B. মিথোজীবী C. পরজীবী D. কোনোটিই নয়
Answer : B
9.টক্সোয়েড প্রকৃতির ভ্যাকসিন যে রোগ প্রতিরোধ করতে ব্যবহৃত হয়, সেটি হল – A. ডিপথেরিয়া B. টিটেনাস C. A ও B উভয়ই D. কোনোটিই নয়
Answer : C
10.হিস্টামিন নিঃসরণ করে— A. বেসোফিল B. মাস্টকোশ C. A ও B উভয়ই D. কোনোটিই নয়
Answer : C
11.বসন্ত ভাইরাস-এর বংশগতি বস্তুটি হল— A. DNA B. RNA C. DNA ও RNA D. কোনোটিই নয়
Answer : A
12.নীচের কোনটি আদ্যপ্রাণী জাতীয় জীবাণু? – A. HIV B. প্লাসমোডিয়াম C. ভিব্রিও কলেরি D. রুবেল্লা
Answer : B
13.কত ধরনের হেপাটাইটিস রোগ হতে পারে? – A. তিন ধরনের B. চার ধরনের C. পাঁচ ধরনের D. ছয় ধরনের উভল
Answer : C
14.অনাক্রম্যতার সঙ্গে যুক্ত কোন্ রক্তকোশ? – A. অণুচক্রিকা B. RBC C. WBC D. কয়েক প্রকার WBC
Answer : D
15.স্পারোজয়েট দশাটি কোন রোগের জীবাণুর মানবদেহ সংক্রমণের দশা – A. ডেঙ্গু B. ম্যালেরিয়া C. ডিপথেরিয়া D. যক্ষ্মা
Answer : A
16.কোটি ভাইরাসঘটিত রোগ নয়? – A. রুবেল্লা B. ইনফ্লুয়েঞ্জা C. মাম্পস্ D. টাইফয়েড
Answer : D
17.জৈবিক নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত নোসেমা হল একপ্রকার – A. ভাইরাস B. ব্যাকটেরিয়া C. আদ্যপ্রাণী D. ছত্রাক
Answer : C
18.প্লেগ (Plague) রোগের জীবাণুটি হল— A. ভাইরাস B. ব্যাকটেরিয়া C. প্রোটোজোয়া D. আদ্যপ্রাণী
Answer : B
19.HIV ভাইরাসটির বংশগতি বস্তু হল— A. RNA B. DN(a) C. RNA এবং DNA D. কোনোটিই নয়
Answer : A
20.নীচের কোটি নাইট্রোজেন সংবন্ধন করতে পারে? – A. প্রোটোজোয়া B. সায়ানোব্যাকটেরিয়া C. ভাইরাস D. ছত্রাক
Answer : B
21.ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণুর বাহক হল— A. স্ত্রী অ্যানোফিলিস B. স্ত্রী এডিস C. স্ত্রী কিউলেক্স D. সি-সি মাছি
Answer : B
22.UNICEF-এর সম্পূর্ণ নামটি হল – A. United Nations International children’s Emergency Fund B. United Nations International children’s Emergency Federation C. Union Nations International children’s Emergency Fund D. Union Nations International children’s Emergency Federation
Answer : A
23.ব্রাডিকাইনিন নিঃসৃত হয়— A. ক্ষতিগ্রস্ত কলা কোশ থেকে B. মাস্টকোশ থেকে C. বেসোফিল থেকে D. প্লিহা থেকে
Answer : A
24.কলেরা রোগের বাহক প্রাণীটি হল – A. মশা B. ইঁদুর C. মাছি D. সি-সি মাছি
Answer : C
25.ভূণের দেহে যে প্রতিরক্ষা গড়ে ওঠে, তা হল – A. সক্রিয় ইমিউনিটি B. নিষ্ক্রিয় ইমিউনিটি C. কোশীয় ইমিউনিটি D. যান্ত্রিক ইমিউনিটি
Answer : B
26.VAM হল একপ্রকার – A. এন্ডোমাইকোরাইজা B. এক্টোমাইকোরাইজা C. পরজীবী D. কোনোটিই নয়
Answer : A
27.জৈবিক নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত নোসেমা হল একপ্রকার – A. ভাইরাস B. ব্যাকটেরিয়া C. আদ্যপ্রাণী D. ছত্রাক
Answer : C
28.কোনো একটি রোগের ভ্যাকসিন প্রথম আবিষ্কার করেন – A. এডওয়ার্ড জেনার B. লুই-পাস্তুর C. ল্যামার্ক D. মেন্ডেল
Answer : A
29.যে রোগে শিশু মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি হয়, তা হল – A. যক্ষ্মা B. ম্যালেরিয়া C. নিউমোনিয়া D. কলেরা
Answer : C
30.ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুটি একপ্রকার – A. ব্যাকটেরিয়া B. প্রোটোজোয়া C. ভাইরাস D. ছত্রাক
Answer : B
31.BCG ভ্যাকসিন যে রোগ প্রতিরোধের জন্য দেওয়া হয়, সেটি হল – A. যক্ষ্মা B. টাইফয়েড C. কলেরা D. বসন্ত উডব
Answer : A
32.অ্যান্টিবডির অণুতে পলিপেপটাইড শৃঙ্খলের সংখ্যা হল— A. দুটি B. তিনটি C. চারটি D. পাঁচটি
Answer : C
33.কলেরা রোগের বাহক প্রাণীটি হল – A. মশা B. ইঁদুর C. মাছি D. সি-সি মাছি
Answer : C
34.সর্বপ্রথম ভ্যাকসিন কত খ্রিস্টাব্দে আবিষ্কার হয়? – A. 1772. খ্রি. B. 1777. খ্রি. C. 1796. খ্রি. D. 1810. খ্রি.
Answer : C
35.উচ্চ শ্রেণির উদ্ভিদের মূল ও ছত্রাকের সহাবস্থান হল – A. সায়ানোব্যাকটেরিয়া B. মাইকোরাইজা C. ব্যাকটেরিয়া D. প্রোটোজোয়া
Answer : B
36.বায়ুর নাইট্রোজেনকে মাটিতে আবদ্ধ করতে পারে না কোন্ অণুজীবটি? – A. নস্টক B. অ্যানাবিনা C. থায়োব্যাসিলাস D. অসিলেটোরিয়া উভন
Answer : C
37.AIDS রোগটি যে ধরনের জীবাণুর কারণে ঘটে, সেটি হল— A. ব্যাকটেরিয়া B. ভাইরাস C. প্রোটোজোয়া D. ছত্রাক
Answer : B
38.নীচের কোনটি একটি জলবাহিত রোগ? – A. টিটেনাস B. ডিপথেরিয়া C. ডায়ারিয়া D. যক্ষ্মা
Answer : C
39.নীচের কোটি নাইট্রোজেন সংবন্ধন করতে পারে? – A. প্রোটোজোয়া B. সায়ানোব্যাকটেরিয়া C. ভাইরাস D. ছত্রাক
Answer : B
40.মানবশিশুকে জন্মের কিছুদিন পরেই যে টিকাটি দেওয়া হয়, তা হল – A. DPT ভ্যাকসিন B. BCG ভ্যাকসিন C. MMR ভ্যাকসিন D. OPV ভ্যাকসিন।
Answer : B
41.প্রাকৃতিকভাবে সক্রিয় অর্জিত অনাক্রমতা সৃষ্টি করে— A. পোলিও B. হেপাটাইটিস-B C. জলবসন্ত D. কোনোটিই নয়
Answer : C
42.স্পারোজয়েট দশাটি কোন রোগের জীবাণুর মানবদেহ সংক্রমণের দশা – A. ডেঙ্গু B. ম্যালেরিয়া C. ডিপথেরিয়া D. যক্ষ্মা
Answer : A
43.পোলিও ভাইরাস মানবদেহের কোন্ অংশকে আক্রমণ করে— A. হৃৎপিণ্ড B. ফুসফুস C. স্নায়ুতন্ত্র D. যকৃৎ
Answer : C
44.একটি রাসায়নিক বস্তু অ্যান্টিজেন হতে গেলে ন্যূনতম কত আণবিক ওজন হওয়া প্রয়োজন? – A. 5000 ডালটন B. 7000 ডালটন C. 10000 ডালটন D. 50000 ডালটন
Answer : C
45.ইমিউনোগ্লোবিউলিন অণুগুলি হল একপ্রকার— A. শর্করা B. প্রোটিন C. ফ্যাট D. সবকটিই
Answer : C
46.Shigella জীবাণুটি কোন রোগ সৃষ্টি করে? – A. ডায়ারিয়া B. যক্ষ্মা C. ম্যালেরিয়া D. নিউমোনিয়া
Answer : A
47.স্পোডোপটেরা লিটুরা নামক পতঙ্গর লার্ভা বিনাশ করতে প্রয়োজন – A. NPV B. গ্রানুলোসিস ভাইরাস C. ব্যাসিলাস থুরিনজিয়েনসিস্ D. সবকটি
Answer : B
48.ভাইরাস আক্রান্ত কোশ থেকে যে অ্যান্টিভাইরাল প্রোটিন ক্ষরিত হয়, তা হল— A. ইন্টারফেরন B. HCl C. লাইসোজাইম D. কোনোটিই নয়
Answer : A
49.রাইজোবিয়াম নামক ব্যাকটেরিয়ার ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক তথ্য? – A. শিম্বগোত্রীয় উদ্ভিদের মূলের অবুদে থাকে B. N2 সংবন্ধন করতে পারে C. মিথোজীবী প্রকৃতির D. সবকটি
Answer : D
50.স্পোডোপটেরা লিটুরা নামক পতঙ্গর লার্ভা বিনাশ করতে প্রয়োজন – A. NPV B. গ্রানুলোসিস ভাইরাস C. ব্যাসিলাস থুরিনজিয়েনসিস্ D. সবকটি
Answer : B
✍️অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর:
1.একটি অ্যান্টিজেনের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ- লাইপোপ্রোটিন
2.যক্ষা রোগের ভ্যাকসিনটির নাম কি?
উত্তরঃ- BCG
3. কাকে অনাক্রম্যবিদ্যার জনক বলা হয়?
উত্তরঃ- অ্যাডওয়ার্ড জেনারকে
4.কোন্ ভ্যাকসিন মুখ দিয়ে গ্রহণ করা হয়?
উত্তরঃ- পোলিও
5. সত্য বা মিথ্যা লেখঃ
নস্টক একপ্রকার স্বাধীনজীবী সায়ানোব্যাকটেরিয়া
উত্তরঃ- সত্য
6.শূন্যস্থান পূরণ করোঃ
পলিস্যাকারাইড একপ্রকার _______।
উত্তরঃ- অ্যান্টিজেন
7.সত্য অথবা মিথ্যা লেখঃ
অ্যান্টিবডি দেখতে ইংরেজি Y অক্ষরের মতো।
উত্তরঃ- সত্য
8.শূন্যস্থান পূরণ করোঃ
লোকজ ______ রোগের আরেক নাম।
উত্তরঃ- টিটেনাস
9.HIV-তে কোন প্রকারের নিউক্লিক অ্যাসিড থাকে? (এক কথায় উত্তর দাও)
Answer : RNA
10.পায়ে পেরেক ফুটলে টিটেনাস টক্সয়েড ইনজেকশন দেওয়া হয়। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Answer : সত্য
11.সিউডোমোনাস ফ্লুরোসেন্স ব্যাকটেরিয়া নিঃসৃত______ পার্শ্ববর্তী ক্ষতিকর ছত্রাককে ধ্বংস করে। (শূন্যস্থান পূরন করো)
Answer : সিউডোব্যাকটিন।
12.অ্যান্টিবডির যে স্থানে অ্যান্টিজেন যুক্ত হয়, তাকে কী বলে? (এক কথায় উত্তর দাও)
Answer : প্যারাটোপ।
13.______ ভাইরাস জৈবিক নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। (শূন্যস্থান পূরন করো)
Answer : ব্যাসিলাস থুরিনজিয়েনসিস৷
14.অ্যান্টিবডি ______ টি পলিপেপটাইড চেন নিয়ে গঠিত। (শূন্যস্থান পূরন করো)
Answer : চারটি।
15.Tetrahymena প্রজাতি হল একটি আদ্যপ্রাণী। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Answer : সত্য
16.ধান, ভুট্টা গাছের মূলে থাকে রাইজোবিয়াম। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Answer : মিথ্যা
17.ব্রাডিকাইনিন নিঃসৃত হয় ______ কলাকোশ থেকে। (শূন্যস্থান পূরন করো)
Answer : ক্ষতিগ্রস্ত।
18.যে পোষকের দেহে পরজীবী জীবনচক্রের যৌন জনন দশা অতিবাহিত করে, তাকে মুখ্য পোষক বলে। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Answer : সত্য
19.ভ্যাকসিন শব্দের প্রবক্তা কে? (এক কথায় উত্তর দাও)
Answer : লুই পাস্তুর।
20.স্মৃতি কোশ বা মেমরি সেল B-লিম্ফোসাইট ও T-লিম্ফোসাইট থেকে উৎপন্ন হয়। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Answer : সত্য
21.ধৌতকরণে ব্যবহৃত হয় এমন একটি অ্যালকোহলসমৃদ্ধ জীবাণুনাশক হল ______ (শূন্যস্থান পূরন করো)
Answer : হ্যান্ড স্যানিটাইজার।
22.টিটেনাস হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়ায়। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Answer : মিথ্যা
23.OPV-এর পুরো নাম কী? (এক কথায় উত্তর দাও)
Answer : ওরাল পোলিও ভ্যাকসিন।
24.AIDS-এর পুরো নাম কী? (এক কথায় উত্তর দাও)
Answer : অ্যাকুয়ার্ড ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি সিনড্রোম।
25.AIDS রোগে অনাক্রম্যতা নষ্ট হয়। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Answer : সত্য
26.MMR ভ্যাকসিনের প্রকৃতি কীরূপ? (এক কথায় উত্তর দাও)
Answer : যৌথ বা কমবিনেশন ভ্যাকসিন।
27.______-এর সংক্রমণে ম্যালিগন্যান্ট ম্যালেরিয়া হয়। (শূন্যস্থান পূরন করো)
Answer : প্লাসমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম।
28.কলোস্ট্রামে ______ অ্যান্টিবডি বর্তমান থাকে। (শূন্যস্থান পূরন করো)
Answer : IgG
29.______ এর সংক্রমণে জন্ডিস রোগ হয়। (শূন্যস্থান পূরন করো)
Answer : হেপাটাইটিস B ভাইরাস।
30.ব্যাসিলাস পলিমিক্সা একটি মিথোজীবী ব্যাকটেরিয়া। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Answer : মিথ্যা
31.রোগ সৃষ্টিকারী পরজীবীদের ইনোকুলাম বলে। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Answer : মিথ্যা
32.নিউমোনিয়া একপ্রকার কমিউনিকেবল ডিজিজ। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Answer : সত্য
33.অ্যান্টিজেনের রাসায়নিক প্রকৃতি লেখো। (এক কথায় উত্তর দাও)
Answer : প্রোটিন বা হেটারোপলিস্যাকারাইডস্।
34.অ্যাজোল্লা একপ্রকার জলজ ______ (শূন্যস্থান পূরন করো)
Answer : ফার্ন।
35.প্রথম টিকা আবিষ্কার হয় 1896 সালে। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Answer : মিথ্যা
36.সিউডোব্যাকটিন নিঃসৃত হয় ______ ব্যাকটেরিয়া থেকে। (শূন্যস্থান পূরন করো)
Answer : সিউডোমোনাস ফ্লুরোসেন্স।
37.রক্ত সারণের মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগ সংক্রামিত হয়। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Answer : সত্য
38.প্লেগ রোগের জীবাণু হল ব্যাকটেরিয়া। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Answer : সত্য
39.VAM-এর পুরো নাম কী? (এক কথায় উত্তর দাও)
Answer : Vesicular arbuscular Mycorrhiza (ভেসিকুলার আরবাসকুলার মাইকোরাইজা)।
40.মাইকোরাইজা কী? (এক কথায় উত্তর দাও)
Answer : উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদের মূল ও তার চারপাশে থাকা ছত্রাক অণুসূত্রের মধ্যে গড়ে ওঠা মিথোজীবী সম্পর্ক।
41.ডিপথেরিয়া রোগের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়ার নাম ______ (শূন্যস্থান পূরন করো)
Answer : করনিব্যাকটেরিয়াম ডিপথেরি৷
42.WHO-এর পুরো নাম ______ (শূন্যস্থান পূরন করো)
Answer : World Health Organisation
43.কুফার কোশ দেখতে পাওয়া যায় ______ (শূন্যস্থান পূরন করো)
Answer : যকৃতে।
44.Adeno virus ডায়ারিয়া রোগ সৃষ্টি করে। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Answer : সত্য
45.অ্যান্টিবডিতে দুটি ভারী শৃঙ্খল ও দুটি হালকা শৃঙ্খল থাকে। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Answer : সত্য
46.কলেরা রোগের বাহক হল মশা। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Answer : মিথ্যা
47.AIDS রোগে অনাক্রম্যতা নষ্ট হয়। (সত্য/মিথ্যা নির্বাচন করো)
Answer : সত্য
48.মৃত বা নিষ্ক্রিয় টিকার একটি উদাহরণ দাও। (এক কথায় উত্তর দাও)
Answer : ইনফ্লুয়েঞ্জা।
✍️সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলির উত্তর দাওঃ-
1.ইমিউনিটি বা অনাক্রম্যতা বলতে কি বোঝো?
উত্তরঃ- জীব দেহে প্রবিষ্ট জীবাণু যেমন, ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও তাদের অধিবিষ এবং বিজাতীয় প্রোটিন দ্বারা দেহের স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলী বিপর্যস্ত হলে, সেগুলির বিরুদ্ধে দেহে যে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে ওঠে তাকে ইমিউনিটি বা অনাক্রম্যতা বলে।
2.ভ্যাকসিন বা টিকা বলতে কি বোঝো?
উত্তরঃ- কোন নিদির্ষ্ট রোগ প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে ওই রোগের জীবানুর থেকে প্রস্তুত যে উপাদান মানুষের শরীরে প্রবেশ করলে ওই রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ জন্মায় তাকে ভ্যাকসিন বা টিকা বলে।
3.রোগ বা ডিজিস বলতে কী বোঝো?
উত্তরঃ- দেহের গঠনগত ও কার্যগত অস্বাভাবিকতা, যা কিছু চিহ্ন বা লক্ষণ দ্বারা প্রকাশিত হয় তাকে রোগ বা ডিজিজ বলে।
4.টীকা করনের গুরুত্ব লেখ।
উত্তরঃ- টীকা করনের গুরুত্ব গুলি হল -
প্রথমত, টিকাকরণের দ্বারা দেহে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করা হয় যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
দ্বিতীয়ত, টিকাকরণের মাধ্যমে নির্দিষ্ট জীবাণুর বিরুদ্ধে দেহে প্রায় সারা জীবনের জন্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে।
তৃতীয়ত, টিকাকরণের ফলে দেহে কৃত্রিম সক্রিয় অনাক্রম্যতা উৎপন্ন হয়।
5.জৈবিক নিয়ন্ত্রণে একটি প্রোটোজোয়া ও একটি ভাইরাসের নাম লেখ।
উত্তরঃ- জৈবিক নিয়ন্ত্রক হিসেবে ব্যবহৃত প্রোটোজোয়াটি হল নোসেমা, আর ব্যাকটেরিয়া হল অ্যাজোটোব্যাকটর।
6.কিভাবে AIDS এর সংক্রযন ঘটে?
উত্তরঃ- এই রোগ যেভাবে সংক্রামিত হয় তা হল - HIV রোগীর সঙ্গে অবাধ যৌন সংসর্গ, HIV পজিটিভ রক্ত গ্রহণ, রোগীর ব্যবহৃত সিরিঞ্জ, ব্লেড, রেজার ইত্যাদি ব্যবহার করা, এছাড়াও মায়ের দেহে থেকে প্লাসেন্টার এর মাধ্যমে শিশুর দেহে HIV সংক্রামিত হয়।
7.নিউমোনিয়া রোগের প্রধান লক্ষণ গুলো কি কি?
উত্তরঃ- নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ গুলি হল -
প্রথমত, এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি হয় এবং মাঝারি মানের জ্বর হয়।
দ্বিতীয়ত, নাক দিয়ে সর্দি এবং কাশির সঙ্গে কফ বের হয়।
তৃতীয়ত, রোগীর শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।
8.ম্যালেরিয়া রোগের উপসর্গ গুলো কি কি?
উত্তরঃ- ম্যালেরিয়া রোগের উপসর্গ গুলো হল -
প্রথমত, প্রচন্ড শীত করে এবং কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে।
দ্বিতীয়ত, 103 ডিগ্রি থেকে 104 ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত জ্বর হতে পারে।
তৃতীয়ত, ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে যায় তখন শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে ঘামে পোষাক ভিজে পর্যন্ত যায়।
9.ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ গুলি উল্লেখ করো।
উত্তরঃ- ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ গুলি হল -
প্রথমত, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ব্যক্তির প্রাথমিক অবস্থায় অল্প মাত্রায় জ্বর হয়।
দ্বিতীয়ত, ক্ষুধামান্দ্য দেখা যায়।
তৃতীয়ত, সারা শরীরে ব্যথা অনুভূত হয়। অনেক সময় গা-হাত-পায় প্রচন্ড ব্যথা অনুভব হয়।
10.অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির প্রধান দুটি পার্থক্য লেখো।
উত্তরঃ- অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির প্রধান দুটি পার্থক্য হল -
প্রথমত, অ্যান্টিজেন হল দেহে অনুপ্রবেশকারী বহিরাগত বস্তু, আর অ্যান্টিবডি হলো অ্যান্টিজেনের উপস্থিতিতে উৎপন্ন অ্যান্টিজেন প্রতিরোধী বস্তু।
দ্বিতীয়ত, এন্টিজেন সাধারণত লোহিত রক্ত কণিকার কোষ পর্দার উপরিতলে অবস্থান করে, কিন্তু এন্টিবডি সাধারণত প্লাজমায় থাকে।
11.অপসোনাইজেশন কী?
Answer : অপসোনাইজেশন হল একটি প্রক্রিয়া রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থাপনা। এই প্রক্রিয়াতে, অ্যান্টিবডি or প্রোটিন পরিপূরক সিস্টেমটি শরীরের বিদেশী কোষগুলিতে আবদ্ধ হয় এবং ফাগোসাইটগুলির দ্বারা সনাক্তকরণযোগ্য করে তুলতে তাদের লেবেল করে। অপসারণের অভাব প্রতিরক্ষা ঘাটতির সমতুল্য এবং প্রায়শই কিছু পরিপূরক কারণগুলির বংশগত ঘাটতির সাথে মিলে যায়।
12.যক্ষ্মা রোগের লক্ষণগুলি লেখো।
Answer : সাধারণত সন্ধ্যা বেলায় জ্বর আছে। খাবার খাবে কিন্তু তারপরও শুকিয়ে যাবে। কফ হবে। সেই কফ আর সারবে না। সাধারণ এন্টিবায়টিক খেলেও সারবে না। একটা সময় দেখা যাবে যে কফের সঙ্গে রক্ত আসছে। অনেক ক্ষেত্রে রক্ত নাও আসতে পারে। ওজন কমে যায়। ক্ষুধামন্দা হবে। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। সাধারণত এটা ফুসফুসের যক্ষা। কিন্তু এছাড়া অন্য কোন যক্ষার ক্ষেত্রে লক্ষ নাও থাকতে পারে।
13.ইন্টারফেরন কী?
Answer : ইন্টারফেরন হলো প্রতিরক্ষামূলক প্রোটিন। কোন দেহকোষ ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে এটি নিঃসৃত হয়। বহিরাগত ভাইরাস,ব্যাক্টেরিয়া, ছত্রাক,বিষ ও অন্য কোনো বস্তু ইত্যাদির আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য প্রতিটি দেহে একটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকে,এটি দেহের প্রতিরক্ষা তন্ত্র( Immune system)।
✍️রচনাধর্মী প্রশ্নগুলির উত্তর দাওঃ-
৩.১ মানব কল্যাণে জীবাণুদের পাঁচটি ভূমিকা উল্লেখ করো।
উত্তরঃ- জীবনু যে আমাদের কেবল ক্ষতি করে তাই নয়, অনেক জীবাণু নানাভাবে আমাদের উপকারও করে। মানব কল্যাণে জীবাণুদের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভূমিকা নিচে আলোচনা করা হল
প্রথমত, দই, পনির, মাখন, ঘোল ইত্যাদি উৎপাদনের জন্য বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়াদের কাজে লাগানো হয়।
দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন ফলের রস, খেজুরের রস ইত্যাদি গেঁজিয়ে মদ উৎপাদন করা হয়। গ্যাঁজানোর জন্য বিভিন্ন রকম জীবানুর ব্যবহার করা হয়।
তৃতীয়ত, নানা রকম অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ তৈরি করতে বিভিন্ন রকমের জীবাণুদের ব্যবহার করা হয়।
চতুর্থত, যক্ষা, কলেরা, প্লেগ, টিটেনাস, হুপিং কফ ইত্যাদির ভ্যাকসিন তৈরি করতে মৃত বা জীবিত জীবনুদের ব্যবহার করা হয়।
পঞ্চমত, কৃত্রিম উপায়ে বিভিন্ন রকমের ভিটামিন অর্থাৎ বি কমপ্লেক্স ভিটামিন সি উৎপন্ন করার জন্য বিশেষ কয়েকটি ব্যাকটেরিয়ার ব্যবহার করা হয়।
৩.২ যক্ষা রোগের লক্ষণ গুলি আলোচনা করো।
উত্তরঃ- যক্ষ একটি বায়ুবাহিত ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ। যক্ষা রোগ আক্রান্ত ব্যক্তির নাক মুখ দিয়ে হাঁচি কাশি ও নিঃশ্বাসের সঙ্গে মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস নামক ব্যাকটেরিয়া বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রশ্বাসের সঙ্গে সেই ব্যাকটেরিয়া নাক মুখ দিয়ে সুস্থ ব্যক্তির দেহে প্রবেশ করলে সেই ব্যাক্তিও যক্ষা রোগে আক্রান্ত হয়।
যক্ষা রোগের লক্ষণ গুলি হল - রোগীর বার বার জ্বর হয়, আর জ্বর প্রধানত সন্ধ্যার দিকে আসে। রোগীর আক্রান্ত জায়গায় ব্যথা অনুভব হয়। সারাক্ষণ কাশি হয় এবং কাশির সঙ্গে সঙ্গে কফ বের হয় আর অনেক সময় কফের সঙ্গে রক্তও বের হয়। ধীরে ধীরে রোগীর দেহের ওজন কমতে থাকে এবং দেহ শীর্ণকায় পরিণত হয়। তাছাড়া রুগীর খিদে পায় না এবং সে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে।
৩.৩ অণুজীব সার বা বায়োফার্টিলাইজার বলতে কী বোঝো? অণুজীব সার ব্যবহারের সমস্যা ও সম্ভাবনা রচনা করো।
উত্তরঃ- যে সক্রিয় গোষ্ঠীর অণুজীব যেমন ব্যাকটেরিয়া, শৈবাল ও ছত্রাক এককভাবে বা সম্মিলিতভাবে পরিবেশের কোনো ক্ষতি না করে জমির উর্বরতা বাড়ায় শস্য ও ফসল উৎপাদন কারী গাছের পুষ্টি জুগিয়ে তাদের সক্রিয় বৃদ্ধিতে সাহায্য করে তাদের বলে অণুজীব সার বা বায়োফার্টিলাইজার।
ভারতে অনুজীব সারের ব্যবহারের সমস্যাঃ-
ভারতে সর্বোচ্চ অণুজীব সার পাওয়া যায় না। তাছাড়া ভারত উষ্ণ জলবায়ুর দেশ, তাই উষ্ণতা বৃদ্ধিতে অণুজীব সার এর দ্রুত বিনষ্ট হয়।
ভারতে অণুজীব সার এর সম্ভাবনাঃ-
জনগণের মধ্যে শিক্ষার অভাবের জন্য সচেতনতা কম, তা সত্ত্বেও বিজ্ঞান ও গবেষনা ঘরের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে কোন জীব সারের ব্যবহার ভারতবর্ষে ক্রমশ বাড়ছে। অণুজীব সার ব্যবহারের উপযোগিতা গুলি বেশি ও খরচ কম বলে ক্রমশ এর ব্যবহার এদেশে বাড়বে বলে আশা করা যায়।
...................

