📚 ষষ্ঠ শ্রেণীর ভূগোল সাজেশন: তৃতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন📚
✍️SET-1:
1. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখো :
(i) পৃথিবীকে বলা হয় – (a) নীল গ্রহ, (b) লাল গ্রহ, (c) কালো গ্রহ।
উঃ (a) নীল গ্রহ।
(ii) বায়ুমণ্ডলে স্তর আছে – (a) ৬টি, (b) ৫টি, (c) ৭টি।
উঃ (a) ৬টি।
(iii) পৃথিবীতে সবচেয়ে বড়ো (বৃহত্তম) মহাদেশ হল - (a) ইউরোপ, (b) এশিয়া, (c) আফ্রিকা।
উঃ (b) এশিয়া
(iv) আন্টার্কটিকার অপর নাম – (a) সাদা মহাদেশ, (b) কালো মহাদেশ, (c) লাল মহাদেশ।
উঃ (a) সাদা মহাদেশ।
(v) আন্টার্কটিকার একমাত্র স্থায়ী বাসিন্দা হল (a) টিয়া পাখি, (b) এমু পাখি, (c) পেঙ্গুইন পাখি।
উঃ (c) পেঙ্গুইন পাখি।
(vi) 'ক্রিল' হল এক ধরনের (a) মাছ, (b) পাখি, (c) উদ্ভিদ।
উঃ (a) মাছ।
(vii) উষ্ণতা মাপার জন্য ব্যবহার করা- (a)হাইগ্রোমিটার, (b) ব্যারোমিটার, (c) থার্মোমিটার।
উঃ (c) থার্মোমিটার।
(viii) জল ফুটে বাষ্পে পরিণত হয় -(a) 10°C তাপমাত্রায়, (b) 100°C তাপমাত্রায়, (c) 50°C তাপমাত্রায় ৷
উঃ (b) 100°C তাপমাত্রায়।
(ix) কালবৈশাখী ঝড় হয় (a) সকালে, (b) দুপুরে, (c) বিকেল বেলায়।
উঃ (c) বিকেল বেলায়।
(xvi) সংযোগকারী ভাষা হল: (a) বাংলা, (b) ইংরেজি, (c) সংস্কৃত।
উঃ (b) ইংরেজি।
(xvii) ভারতের বৃহত্তম নদী – (a) গঙ্গা (b) সিন্ধু, (c) পদ্মা।
উঃ (a) গঙ্গা।
(x) বায়ুদূষণের ফলে - (a) জ্বর হয়, (b) শ্বাসকষ্ট হয়, (c) সর্দি হয়।
উঃ (b) শ্বাসকষ্ট হয়।
(xi) বায়ুদূষণ রোধ করা যায় - (a) বৃক্ষরোপণ (গাছ লাগিয়ে) করে, (b) বৃক্ষছেদন (গাছ কেটে) করে, (c) শিল্পায়ন করে।
উঃ (a) বৃক্ষরোপণ (গাছ লাগিয়ে) করে।
(xiii) শব্দদূষণের প্রভাব অনেক বেশি হয়। (a) গ্রামে, (b) শহরে, (c) আধা শহরে।
উঃ (b) শহরে।
xi) হাঁচি বা কাশির সময় সবসময় রুমাল চাপা দেবে – (a) মুখে, (b) কানে, (c) মাথায়।
উঃ (a) মুখে।
(xiv) শব্দের তীব্রতা পরিমাপ করার যন্ত্রের নাম-(a) লাউড স্পিকার, (b) মোটর হর্ন, (c) ডেসিবেল মিটার।
উঃ (c) ডেসিবেল মিটার।
(xv) সাইরেন বাজার শব্দের তীব্রতা-(a) 100 db, (b) 110 db, (c) 130 db।
উঃ (c) 130 db।
xvii) বিশ্ব অরণ্য দিবস – (a) 21 জানুয়ারি, (b) 21 মাৰ্চ, (c) 21 মে।
উঃ (b) 21 মাৰ্চ।
(xix) একটি পানীয় ফসল হল – (a) চা, (b) গম, (c) পাট ।
উঃ (a) চা।
( xx) মানচিত্র অঙ্কন বিদ্যাকে বলা হয় - (a) টোপোগ্রাফি, (b) কার্টোগ্রাফি, (c) রেটোগ্রাফি।
উঃ (b) কার্টোগ্রাফি।
2. A. শূন্যস্থান পূরণ করো (যে-কোনো তিনটি):
(i) পৃথিবীর দীর্ঘতম হিমবাহ ল্যামবার্ট হিমবাহ।
(ii) ভারতের রাজধানী হল নিউ দিল্লি।
(iii) O°C উষ্ণতায় জল বরফে পরিণত হয়।
(iv) সুন্দরবনের প্রধান গাছ হল সুন্দরী।
B. বামদিকের সঙ্গে ডানদিক মিলিয়ে লেখো :
বামদিক ডানদিক
(i) বায়ুর আর্দ্রতা (a)ক্লোরোফ্লুরো কার্বন (CFC)
(ii)ওজোন স্তরের অবক্ষয় (b) 130 ডেসিবেল
(iii) সাইরেন (c)হাইগ্রোমিটার
উঃ (i)-(c), (ii)-(a), (iii)-(b).
C. শুদ্ধ / অশুদ্ধ লেখো:
(i) ভারত এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত।
উঃ শুদ্ধ।
(ii) 15 আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবস।
উঃ শুদ্ধ।
(iii) বায়ুদূষণ রোধ (বন্ধ) করা যায় গাছ কেটে।
উঃ অশুদ্ধ।
(iv) আমাদের প্রথম ও প্রধান পরিচয় আমরা ভারতবাসী।
উঃ শুদ্ধ।
D. নীচের প্রশ্নগুলির এককথায় উত্তর দাও:
(i) পৃথিবীর মোট জল ভাণ্ডারের নাম কী?
উঃ বারিমন্ডল বা হাইড্রোস্ফিয়ার।
(ii) করমণ্ডল উপকূলে বছরে ক'বার বৃষ্টিপাত হয় ?
উঃ বছরে দুবার।
(iii) পশ্চিমবঙ্গের কোথায় সারাবছরই ঠান্ডা থাকে?
উঃ দার্জিলিং এর মিরিক নামক জায়গায়।
(iv) 'ম্যাপ' শব্দটির উৎপত্তি কোন্ শব্দ থেকে?
উঃ লাতিন শব্দ ‘ম্যাপা’ থেকে।
4.নীচের প্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও:
(i) আন্টার্কটিকা মহাদেশের (সাদা মহাদেশ) দুটি প্রাণীর নাম করো।
উঃ আন্টার্কটিকা মহাদেশের (সাদা মহাদেশ) দুটি প্রাণীর নাম হলো সিল ও পেঙ্গুইন।
(ii) সুন্দরবন অঞ্চলের উদ্ভিদের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
উঃ ১.গাছগুলিতে শ্বাসমূল দেখা যায়।
২. গাছগুলি তুলনামূলক ছোট হয়।
(iii) পৃথিবীর তাপমণ্ডলকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায় এবং কী কী?
উঃ পৃথিবীর তাপ বলয় কে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা যায় যেমন- ১.উষ্ণ মন্ডল ২.উত্তর নাতিশীতোষ্ণ মন্ডল ৩.দক্ষিণ নাতিশীতোষ্ণ মন্ডল ৪. উত্তর হিমমন্ডল ৫. দক্ষিণ হিম মন্ডল।
(iv) বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে ভারতের কোন্ কোন্ রাজ্যে বন্যা দেখা যায়?
উঃ চন্ডিগড়, হরিয়ানা এবং হিমাচল প্রদেশ।
(v) চেন্চু উপজাতি ভারতের কোন রাজ্যে বাস করে? এদের প্রধান জীবিকা কী?
উঃ অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, কর্ণাটক এবং উড়িষ্যা।
এদের প্রধান জীবিকা হল শিকার করা।
5. নীচের প্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক উত্তর দাও:
(i) 'বিশ্ব উন্নায়ন' কাকে বলে তা লেখো।
উঃ ক্লোরিন পরমাণু, CFC, জলীয় বাষ্প ইত্যাদি পৃথিবীর প্রাকৃতিক সৌর পর্দা ওজোন স্তরের ক্ষয় করে। এর ফলে অতিবেগুনি রশ্মি পৃথিবীতে এসে পৌঁছায়। ফলস্বরূপ পৃথিবীর তাপমাত্রা প্রচন্ড বৃদ্ধি পায় এবং সমুদ্রের বরফ গলে যায়। একে বিশ্ব উষ্ণায়ন বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং বলে।
(ii) আবহাওয়া ও জলবায়ুর পার্থক্য লেখো।
উঃ ১. কোন নির্দিষ্ট স্থানের কোন নির্দিষ্ট সময়ের বায়ুর উষ্ণতা,প্রবাহ,চাপ, আদ্রতা প্রভৃতির দৈনন্দিন অবস্থাকে আবহাওয়া বলা হয়।
কোন বিস্তৃত অঞ্চলের ৩০ থেকে ৪০ বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থাকে জলবায়ু বলা হয়।
২. আবহাওয়া প্রতিদিন এমন কি প্রতিমুহূর্তে বদলায়।
জলবায়ু প্রতিদিন বদলায় না।
৩. আবহাওয়া হল বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরের দৈনন্দিন অবস্থা।
জলবায়ু হলো বায়ুমণ্ডলের নিম্ন স্তরে দীর্ঘকালীন সামগ্রিক অবস্থা।
(iii) শব্দদূষণের ফলে কী হয়?
উঃ ১. শব্দ দূষণের ফলে দুশ্চিন্তা, উগ্রতা, উচ্চ রক্তচাপ শ্রবণশক্তি হ্রাস ইত্যাদি ঘটে।
২. ঘুমের ব্যাঘাত সহ অন্যান্য ক্ষতিকর ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া ঘটতে পারে।
৩. এছাড়াও অন্যান্য শারীরিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে স্মরণশক্তি হ্রাস, মানসিক অবসাদ ইত্যাদি ঘটতে পারে।
(iv) ল্যাটেরাইট মাটি ভারতের কোন অঞ্চলে দেখা যায়। ল্যাটেরাইট মাটিতে কোন্ কোন্ ফসল হয়?
উঃ 👉 ভারতে ছোটনাগপুর মালভূমি, পূর্বঘাট ও পশ্চিমঘাট পর্বতের কিছু অংশ এবং মেঘালয় মালভূমির কিছু অংশে ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা দেখা যায়।
👉 ল্যাটেরাইট মাটিতে চিনেবাদাম,জোয়ার, বাজরা রাগী ইত্যাদি চাষ হয়।
(v) আদিবাসী কাদের বলা হয়। ভারতের কয়েকটি আদি জনগোষ্ঠীর নাম লেখো।
উঃ
6. নীচের প্রশ্নগুলির ব্যাখ্যামূলক উত্তর দাও (যে-কোনো তিনটি)
(i) বায়ুদূষণের কারণ ও ফলাফল আলোচনা করো।
উঃ 👉 বায়ুদূষণের কারণ:
১.যানবাহন থেকে নির্গত কার্বন মনোক্সাইড, কার্বন ডাই-অক্সাইড, নাইট্রোজেনের অক্সাইডসমূহ প্রভৃতি গ্যাস বের হয়ে বায়ু দূষণ ঘটায়।
২.অপরিকল্পিতভাবে গাছপালা কাটার ফলে বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইড এর মাত্রা বেড়ে গিয়ে বাতাসকে দূষিত করে।
৩.বিভিন্ন ধরনের জৈব ও অজৈব পদার্থের পচনের ফলে যে গ্যাস সৃষ্টি হয় তা বায়ুকে দূষিত করে।
৪.আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে বায়ূ দূষণ হতে পারে।
👉ফলাফল:
বায়ু দূষণের ফলে উদ্ভিদ ও প্রাণীদের প্রচুর ক্ষতি হয়-
মানুষের শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস ইত্যাদি রোগ হতে পারে এবং উদ্ভিদের পাতার ক্লোরোফিল নষ্ট হয়ে গিয়ে পাতা ঝরে যায়।
(ii) ভারতের মৌসুমি বায়ুর প্রভাব আলোচনা করো।
উঃ ভারতকে মৌসুমী জলবায়ু দেশ বলা হয়। ভারতের জলবায়ুর উপর মৌসুমী বায়ুর প্রভাব গুলি হল-
১. মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে ভারতে চারটি ঋতু যথা- গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ ও শীত সুস্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়।
২. দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে ভারতের গ্রীষ্মকাল আদ্র প্রকৃতির এবং উত্তর পূর্ব পশ্চিম বায়ুর প্রভাবে ভারতের শীতকাল শুষ্ক প্রকৃতির হয়।
৩. ভারতের মোট বৃষ্টিপাতের অধিকাংশই দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে ঘটে থাকে।
৪. প্রত্যাবর্তনকারী মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে শরৎকালে মাঝে মাঝে উপকূলে প্রচন্ড ঝড় হয়।
৫. মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে তামিলনাড়ুর করমন্ডল উপকূলে বছরে দুবার বৃষ্টিপাত হয়।
(iii) ধান চাষের জন্য অনুকূল জলবায়ু, মাটি সম্পর্কে আলোচনা করো। ভারতের ধান উৎপাদক রাজ্যগুলি উল্লেখ করো।
উঃ

